দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Mohammad Sujan
প্রকাশ : Jul 26, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সাভারে ইয়ামিন হত্যা: সাবেক এমপি সাইফুলসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সাভারে এমআইএসটি শিক্ষার্থী আসহাবুল ইয়ামিন হত্যার ঘটনায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১৯ জনকে আসামি করে এই প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে, যার ওপর আজই ট্রাইব্যুনালে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

কারাগারে ৭ পুলিশ কর্মকর্তা চাঞ্চল্যকর এই মামলায় এখন পর্যন্ত সাতজন আসামি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তারা হলেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ আলী, নায়েক সোহেল, মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন এবং কনস্টেবল মাসুদ মিয়া।

যেই নির্মমতার শিকার হয়েছিলেন ইয়ামিন নিহত আসহাবুল ইয়ামিন ছিলেন মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী।

মামলার বিবরণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ইয়ামিনকে ধরে টেনে পুলিশের সাঁজোয়া যানের (এপিসি) কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং খুব কাছ থেকে তার বুকের বাঁ পাশে গুলি করা হয়। গুলিতে তার শরীরে অসংখ্য স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়।

সাঁজোয়া যানের ওপর মুমূর্ষু ইয়ামিন গুলির পর প্রায় মৃত অবস্থায় মুমূর্ষু ইয়ামিনকে টেনে সাঁজোয়া যানের ওপরে ফেলে রাখা হয়। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মনে ভীতি সঞ্চার করতে তাকে ওপরে রেখেই গাড়িটি এপাশ থেকে ওপাশ প্রদক্ষিণ করতে থাকেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।

একপর্যায়ে তাকে রাস্তা থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। চরম অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সাঁজোয়া যানের ভেতর থেকে এক পুলিশ সদস্যকে বের করে তার পায়ে পুনরায় গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে ওই পুলিশ সদস্য ইয়ামিনকে মৃত ভেবে আর গুলি করেননি; বরং তাকে টেনে সড়ক বিভাজনের পাশে ফেলে দেন।

গুলিবিদ্ধ ইয়ামিন তখনও নিশ্বাস নিচ্ছিলেন। মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের আগ্রহ: কড়া নজর রাখছে ভা

1

প্রথম কর্মদিবসে বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম

2

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

3

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম

4

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হলেন রুহুল কবির রিজভী

5

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী মোনালিসার ৩ দিনের রি

6

১৪ বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আইসিএবির চুক্তি স্বাক্

7

অবৈধ সম্পদ ও তথ্য গোপন: টেকনাফের সাবেক ইউপি সদস্য ও বাবার কা

8

বাবার মৃত্যুর পর প্রথম গোল, অশ্রুসিক্ত চোখে বাবাকে স্মরণ করল

9

এএইউবির ২১তম সিন্ডিকেট সভা: এভিয়েশন ও মহাকাশ গবেষণায় জোর উপা

10

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমিরের অভিনন্দ

11

৩৫ বছর পর ভোটে নির্বাচন: বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফ

12

বিভাগীয় কমিশনারসহ ৩ জেলার ডিসিকে প্রত্যাহার করল সরকার

13

নওগাঁয় যুবলীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ গ্রেপ্তার

14

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ২১ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার, আটক

15

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়, উত্তরাধিকার সূত্

16

বিএনপির জনপ্রিয়তার মূল কারিগর খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল

17

১০ বছর মেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা আসছে সংসদে: প্রধানমন্ত্রী ত

18

মানবতাবিরোধী অপরাধ: কাদের-সাদ্দামসহ শীর্ষ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শ

19

সালমান শাহ হত্যা মামলা: কারাগারে যাওয়ার তিন দিনের মাথায় ডনের

20